মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘মোদি’ (Modi) পদবি নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে কংগ্রেস (Congress) নেতা রাহুল গান্ধীকে (Rahul Gandhi) দু বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে গুজরাটের সুরাটের নিম্ন আদালত। দু বছর কারাদণ্ড হওয়ায় সাংসদ পদ খারিজ হয় রাহুলের। তার জেরে গুজরাট হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন রাহুল। শনিবার হল এই মামলার শুনানি। পরবর্তী শুনানি হবে ২ মে।
রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi)…
রাহুলের এই মামলা থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন গুজরাট হাইকোর্টের বিচারপতি গীতা গোপী। তাই মামলা চলে যায় বিচারপতি হেমন্ত প্রচ্ছকের এজলাসে। রাহুলের হয়ে এদিন সেখানে সওয়াল করেন বর্ষীয়ান আইনজীবী অভিষেক মনু সিংভি। তিনি বলেন, যে শুনানিতে দোষ প্রমাণিত হয়েছে, সেই শুনানির প্রক্রিয়া নিয়ে যথেষ্ঠ প্রশ্ন রয়েছে। কোনও জনপ্রতিনিধি বা সাংসদের ক্ষেত্রে দোষী সাব্যস্ত করার আনুষঙ্গিক বেশ কিছু প্রভাব রয়েছে। এর প্রভাব যেমন একদিকে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির ওপর পড়ে, তেমনই পড়ে তাঁর নির্বাচনী কেন্দ্র এবং পুনর্নির্বাচনের ওপরও।
আরও পড়ুুন: ‘বিজয়া দশমীর মতো উৎসবে পরিণত হয়েছে মন কি বাত’, বললেন প্রধানমন্ত্রী
রাহুলের (Rahul Gandhi) সাংসদ পদ খারিজের ব্যাপারে লোকসভা সচিবালয়ের অতি সক্রিয়তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে রাহুলের আইনজীবী বলেন, আপনার ক্ষমতা রয়েছে বলেই আপনি যা খুশি করতে পারেন না। টেলিভিশনে অযাচিত বিভিন্ন পরামর্শ দেখে আমি অবাক। কেউ বলছেন, আমি থাকলে আট ঘণ্টার মধ্যে সাজা পুনর্বিবেচনার আর্জি দাখিল করতাম, কেউ বলছেন চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে আপিল করা উচিত ছিল। তিনি বলেন, সুপারসনিক আইনজীবী থাকতেই পারেন, কিন্তু আমরা তো এখানে সুপারসনিক ফাইলিং করতে আসিনি। তিনি বলেন, আমি তো মহামান্য আদালতে লাফিয়ে এসে বলতে পারি না, রায়ের অর্ধেকাংশের তর্জমা করতে পেরেছি মাত্র, তবে কালই তো সাংসদ পদ খারিজ হতে চলেছে, তাই তড়িঘড়ি আবেদন করতে এলাম।
প্রসঙ্গত, ২৩ মার্চ সুরাটের মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে লোকসভার সচিবালয় রাহুলের (Rahul Gandhi) সাংসদ পদ খারিজ করে দেয়। কংগ্রেসের এতজন আইনজীবী নেতা-সাংসদ থাকা সত্ত্বেও দোষী সাব্যস্ত হওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কেন রাহুলের হয়ে কেউ সাজাকে চ্যালেঞ্জ করে মামলা করলেন না, সে প্রশ্ন তোলে বিজেপি।
দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।
Leave a Reply