North 24 Parganas: কাঁচরাপাড়ায় বুলডোজারে উচ্ছেদ বেআইনি দোকান, ভাঙা হল বিরোধীদের পার্টি অফিস

North_24_Parganas_(1)

মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী প্রশাসনিক বৈঠকে সরকারি জমিতে বেআইনিভাবে দোকান গজিয়ে ওঠার তীব্র বিরোধিতা করেছিলেন। আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথা রেখেই আজ কাঁচরাপাড়া (North 24 Parganas) পুরসভা, থানামোড় থেকে কুমোরপাড়া পর্যন্ত উচ্ছেদের কাজে নেমেছে। সরকারি জমিতে বেআইনিভাবে নির্মিত দোকান যেমন ভেঙে ফেলা হয়েছে, একই ভাবে বিরোধী রাজনৈতিক দলের দলীয় কার্যালয়ও ভেঙে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় হকাররাও নিজেদের জীবন-জীবিকা নিয়ে অত্যন্ত চিন্তা প্রকাশ করেছেন।

ভাঙা হল দলীয় কার্যালয় (North 24 Parganas)?

কাঁচরাপাড়া (North 24 Parganas) পুরসভার পক্ষ থেকে এদিন সিপিএম-এর দলীয় অফিস ভেঙে দেওয়া হয়েছে। ঘটনায় পুরকর্মী এবং স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনকে ঘিরে ধরে ব্যাপক বিক্ষোভ করে দলীয় কর্মীরা। দলীয় কর্মীদের বক্তব্য ছিল, “আগে থেকে প্রশাসন কেন চিঠি বা নোটিশ দিয়ে আমাদের জানায়নি। আমাদের সময় না দিয়ে বুলডোজার দিয়ে ভেঙে দেওয়া হল অফিস। কিন্তু কেন এই ভাবে ভাঙা হল? আমরা রাজ্যে হকার উচ্ছেদ নিয়ে আন্দোলন করায় আমাদের দলীয় কার্যালয়কে টার্গেট করা হয়েছে। তৃণমূলের রাজত্বে জল্লাদদের শাসন চলছে। তৃণমূলের গুন্ডারা আমাদের দলীয় কর্মীদেরও ভাঙচুর করেছে।”

সরকারি জমিতে ছিল তৃণমূলের কার্যালয়!

কাঁচরাপাড়া (North 24 Parganas) পুরসভার মধ্যে সরকারি জমিতে অবৈধভাবে দলীয় কার্যালয় নির্মাণ করেছিলেন তৃণমূল টাউন সভাপতি খোকন তালুকদার। আজ পুরসভার পক্ষ থেকে অভিযান চালানোর আগেই নিজের পার্টি অফিসের সরিয়ে নিয়েছেন। লোক লাগিয়ে অফিসের জিনসপত্র তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তবে টাউন সভাপতি বলেছেন, “দলের নেত্রী যেহেতু নির্দেশ দিয়েছেন যে জমি দখল করে অবৈধ নির্মাণ করা যাবে না। তাই আমরা আজ পুরসভার কাজের সুবিধার জন্য দখল মুক্ত করলাম জায়গা। এই অফিস আমাদের ৩০ বছরের পুরাতন ছিল।”

আরও পড়ুনঃ ২৮টি রাজ্যের পাহাড়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করে ওয়ার্ল্ড বুক অফ রেকর্ডসে বাংলার যুবক

হকারদের বক্তব্য

আজ দোকান (North 24 Parganas) ভেঙে দেওয়ায় স্থানীয় হকাররা অত্যন্ত ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। এক হকার ব্যবসায়ী বলেন, “আমরা অত্যন্ত গরিব মানুষ, কোনও ক্রমে রাস্তায় দোকান করে খাই। এবার আমাদের উপর অত্যাচার শুরু হয়েছে। রাজ্যে চাকরি নেই, শিল্প নেই তাই পরিযায়ী হয়ে অন্য রাজ্যে কাজ করতে যেতে হয়। এখন হকারি করে খওয়ার অধিকারও কেড়ে নিল। অত্যন্ত অসহায় বোধ করছি।”

 

দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

Please follow and like us:

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

LinkedIn
Share