মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুদিন আগেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বালুরঘাটে এসে জনসভা করে ঝড় তুলে গিয়েছেন। তৃণমূল বেশ কিছুটা ব্যাকফুটে। কর্মীদের অক্সিজেন দিতে এবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বৃহস্পতিবার দক্ষিণ দিনাজপুরের হরিরামপুরে জনসভা করবেন। আর এই সভা ঘিরে বিতর্ক জেলাজুড়ে । বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রী বালুরঘাট (Balurghat) লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী বিপ্লব মিত্রের সমর্থনে হরিরামপুর হাসপাতালের বিপরীত দিকের মাঠে জনসভা করবেন। বিজেপির অভিযোগ, মুখ্যমন্ত্রীর জনসভা নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করছে। বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা বালুরঘাট লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী সুকান্ত মজুমদার এ বিষয়ে জেলা নির্বাচন আধিকারিককে লিখিতভাবে অভিযোগ জানিয়েছেন। সভার আগে কমিশনে নালিশ জানানোর ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়়িয়ে পড়েছে।
হাসপাতালের কাছে মুখ্যমন্ত্রীর সভা ঘিরে বিতর্ক (Balurghat)
কয়েকদিন বাদে বালুরঘাট (Balurghat) লোকসভা নির্বাচন হবে। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা থেকে তৃণমূলের প্রার্থী হয়েছেন বিপ্লব মিত্র। আর বিদায়ী সাংসদ সুকান্ত মজুমদারের ওপর এবারও আস্থা রেখেছে বিজেপি। এমনিতেই এই লোকসভার একাধিক বিধানসভায় তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদানপর্ব লেগেই রয়েছে। দুদিন আগে বালুরঘাট থেকে দিল্লিগামী এক্সপ্রেস চালু হওয়ায় এই লোকসভার লক্ষ লক্ষ মানুষ বিদায়ী সাংসদ সুকান্তর উদ্যোগের প্রশংসা করেছেন। এই অবস্থায় সুকান্তর খাসতালুকে অনেকটাই ব্যাকফুটে তৃণমূল। আর তাই,দলীয় প্রার্থী বিপ্লব মিত্রর হয়ে জনসভা করতে জেলার বিভিন্ন ব্লকে আসছেন মুখ্যমন্ত্রী। এবারও জনসভা করতে জেলার হরিরামপুর ব্লকে হরিরামপুর হাসপাতালের বিপরীত দিকের মাঠে জনসভা করবেন তিনি। আর এই সভা ঘিরে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।
কমিশনে অভিযোগ সুকান্তর
বিজেপি প্রার্থী সুকান্ত মজুমদার বলেন, হরিরামপুর গ্রামীণ হাসপাতালের ১০০ মিটারের মধ্যে মুখ্যমন্ত্রীর জনসভার আয়োজন করা হয়েছে। যা নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করেছে। আমরা নির্বাচন কমিশনের কাছে, অর্থাৎ জেলা নির্বাচনী আধিকারিক তথা জেলাশাসককে লিখিতভাবে অভিযোগ জানিয়েছি।
তৃণমূল নেতৃত্বের কী বক্তব্য?
দক্ষিণ দিনাজপুর তৃণমূল জেলা সহ সভাপতি সুভাষ চাকী জানান, নির্বাচন কমিশনের সুবিধা পোর্টালে আবেদন করেই সভার অনুমতি পাওয়া গিয়েছে। নির্বাচন কমিশন যেখানে অনুমতি দিয়েছে সেখানে সুকান্তবাবুর বলার কিছু নেই।
দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Whatsapp, Facebook, Twitter, Telegram এবং Google News পেজ।
Leave a Reply