Panchayat Election 2023: কমিশন নিজের মতো বাহিনী মোতায়েন করেছে, বিস্ফোরক বিএসএফ কর্তা

Panchayat_Election_2023_(6)

মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিএসএফ আগেই রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দিয়ে জানতে চেয়েছিল স্পর্শকাতর বুথের তালিকা। অভিযোগ, দিচ্ছি দেবো করে বার বার এড়িয়ে গিয়েছেন রাজ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব সিনহা। শুক্রবার রাতেও অনেক বার আমরা চেয়েছিলাম স্পর্শকাতর বুথের তালিকা (Panchayat Election 2023)। কিন্তু কমিশন এবং কমিশনার সেই তালিকা দেয়নি। যার ফলে বাহিনী এলেও তাকে কোথায় কীভাবে মোতায়েন করা হবে, তা কিছুই জানাতে পারেনি রাজ্য নির্বাচন কমিশন। দশম পঞ্চায়েত নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিএসএফের পক্ষ থেকে এমনই দাবি করা হয়েছে। তাদের অভিযোগ, কমিশন তার নিজের মতো করে বাহিনীকে মোতায়েন করেছে। শনিবার রাজ্যে যে পঞ্চায়েত নির্বাচন হয়েছে এবং তাতে যে হিংসার ঘটনা ঘটেছে, তার জন্য কেন্দ্রীয় বাহিনী কোন অংশেই দায়ী নয় বলে বিএসএফের পক্ষ থেকে ট্যুইট করা হয়েছে।

বাহিনী পাঠাতেও দেরি করেছে কমিশন (Panchayat Election 2023)

এমনকী বিএসএফ এটাও জানায়, দূর দূরান্ত থেকে যে বাহিনী এসেছে, তাদের সবাইকেই প্রথমে আনা হয়েছে কলকাতায়। তারপর ফের পাঠানো হয়েছে দূর দূরান্তের সব জেলায়। আর এখানেই দেখা দিয়েছে যত বিপত্তি। তার কারণ রাজ্যে বাহিনী এসে পৌঁছালেও তাদের সঠিক জায়গায় পাঠাতে অনেক দেরি করেছে কমিশন। কমিশনের এই চূড়ান্ত অব্যবস্থার কথা জানিয়ে শনিবার বিএসএফের আইজি এস সি বুধাকোটি কমিশনার রাজীব সিনহাকে চিঠি দিয়েছেন, যা নিয়ে কমিশনার (Panchayat Election 2023) মুখে কুলুপ এঁটেছেন। অর্থাৎ গাফিলতিতেই কেন্দ্রীয় বাহিনীকে সঠিকভাবে মোতায়েন করতে যে কমিশন চূড়ান্ত ভাবে ব্যর্থ হয়েছে, সে কথা বিএসএফের আইজি এস সি বুধাকোটি স্পষ্ট করে দিয়েছেন।

অশান্তির (Panchayat Election 2023) ঘটনার সঙ্গে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সম্পর্ক নেই, দাবি বিএসএফের

প্রথম দিন থেকে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত বাহিনী মোতায়েনের তালিকা ও স্পর্শকাতর বুথের তালিকা চেয়েও পাননি বিএসএফ এবং সিআরপিএফ কর্তারা। অন্য দিকে তাঁরা জানাচ্ছেন, শনিবার পঞ্চায়েত নির্বাচনে যেখানে যেখানে অশান্তির ঘটনা ঘটেছে, তার সঙ্গে কেন্দ্রীয় বাহিনীর কোনও সম্পর্ক নেই। কারণ ওই জায়গায় রাজ্য পুলিশ মোতায়েন ছিল। এ ক্ষেত্রে তাঁদের কোনও গাফিলতি নেই বলে দাবি করেন বুধাকোটি। বেলা গড়াতেই রাজ্য নির্বাচন কমিশনার (Panchayat Election 2023) রাজীব সিনহা সংবাদ মাধ্যমকে জানান, বাহিনী দিতে যদি এত দেরি না করত, তাহলে রাজ্যে এই হিংসার ঘটনা ঘটত না। আর এখান থেকেই বিএসএফের সঙ্গে কমিশনের ফের টক্কর শুরু হয়েছে। একে অপরের ঘাড়ে দোষ চাপাতে গিয়ে রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচনে সকাল থেকেই একের পর এক নজিরবিহীন ঘটনা ঘটে গিয়েছে। চলে গিয়েছে বারোটি প্রাণ ,চলেছে গুলি, ফেটেছে বোমা, ঝরেছে রক্ত, অশান্ত হয়েছে বাংলা।

 

দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

Please follow and like us:

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

LinkedIn
Share