Recruitment Case: চেয়েছিলেন চাকরি, বদলে চাকরিপ্রার্থীদের কপালে জুটল জেল হেফাজত!

protest_job_f

মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এ যেন সেই নাকের বদলে নরুন পাওয়ার গল্প! চেয়েছিলেন চাকরি। চাকরি (Recruitment Case) তো হলই না, তার বদলে জুটল জেল হেফাজত। ধৃত চারজনকে রাত কাটাতে হচ্ছে জেলেই। ঘটনাটি তাহলে খুলেই বলা যাক। শুক্রবার চাকরির দাবিতে হাজরা মোড়ে বিক্ষোভ দেখাচ্ছিলেন উচ্চ প্রাথমিকের চাকরি প্রার্থীরা। পরে তাঁরা ঢুকে পড়েন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাড়ায়। পথ আটকে দেয় পুলিশ। শুরু হয় চাকরিপ্রার্থী-পুলিশ বচসা, ধস্তাধস্তি। তার জেরে গ্রেফতার করা হয় ৫৯ চাকরিপ্রার্থীকে। তাঁদের বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য ধারায় সরকারি কর্মীকে কাজে বাধা, সরকারি কর্মীকে নিগ্রহ, অবৈধ জমায়েত ও জোর করে আটকে রাখার মামলা রুজু করে পুলিশ।  

জেল হেফাজতে ৪ 

শনিবার আদালতে তোলা হলে ৫৫ জন মহিলা চাকরিপ্রার্থীকে শর্তসাপেক্ষে জামিন দেন বিচারক। বাকি ৪ জনের হয়েছে জেল হেফাজত। যদিও ‘বড় পরিকল্পনার চেষ্টা রয়েছে, জানতে হবে’ বলে দাবি করে পুলিশ। এই (Recruitment Case) দাবিতে আদালতে ধৃতদের সাত দিনের হেফাজতে চেয়েছিল পুলিশ। পুলিশের সেই দাবি নস্যাৎ করে ধৃত চারজনকে দেওয়া হয়েছে জেল হেফাজত। আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, পুলিশ জোর করে প্রিজন ভ্যানে তোলে তাঁদের। প্রসঙ্গত, চাকরির দাবিতে এক বছরেরও বেশি সময় ধরে শহিদ মিনারে আন্দোলন করছেন আপার প্রাইমারির চাকরিপ্রার্থীরা। শুক্রবার ছিল সেই আন্দোলনের ৫৫৫তম দিন। এদিনই হাজরায় জমায়েত করেন তাঁরা।

পুলিশের ‘আবদার’

শুনানির সময় আদালতে সরকারি আইনজীবী বলেন, “ধর্নার ব্যানার সামনে রেখে বিক্ষোভকারীরা অপরাধমূলক কাজ করেছেন। পুলিশ কর্মীদের ওপর চড়াও হয়েছেন। ওই ঘটনায় ৯ জন পুলিশ কর্মী জখম হয়েছেন।” এর পরেই ধৃতদের সাত দিনের হেফাজতে চায় পুলিশ। বিচারকের প্রশ্ন, “পুলিশ হেফাজত চাইছেন কেন?” তদন্তকারী অফিসারের সওয়াল, “বড় পরিকল্পনার চেষ্টা করছে। জেড ক্যাটেগরির নিরাপত্তা রয়েছে। বারবার এরকম হলে আইনশৃঙ্খলার সমস্যা হবে।”

আরও পড়ুুন: হাইকোর্টের গুঁতোয় টনক নড়েছে, তাই কি নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার ব্যবস্থা টেটে?

এই সময় ধৃতদের আইনজীবী বলেন, “পুলিশের ওপর হামলা হয়নি। আসলে চাকরি পেতে গেলে পুলিশ ভেরিফিকেশন হয়। এসব করে ভয় দেখাতে চাইছে, যাতে চাকরি জীবনে দাগ লাগানো যায়। এসএসসিতে দেখেছেন, মন্ত্রী থেকে অনেকেই জেলে রয়েছেন। আর যাতে কাউকে জেলে যেতে না হয়, তাই ভয় দেখানো হচ্ছে।” দু’পক্ষের সওয়াল জবাব শুনে ধৃত চারজনকে ২৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত জেল হেফাজতের নির্দেশ দেন বিচারক। বাকিদের দেওয়া হয় জামিন (Recruitment Case)।

 

দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

Please follow and like us:

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

LinkedIn
Share