RG Kar Case: তলব সিবিআইয়ের, সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরা সন্দীপ-ঘনিষ্ঠ চিকিৎসক বিরূপাক্ষর

RG_Kar_Case_(2)

মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর হাসপাতালে (RG Kar Case) চিকিৎসক তরুণীকে ধর্ষণ করে হত্যার তদন্তে সন্দীপ ঘোষের ঘনিষ্ঠ চিকিৎসক বিরূপাক্ষ বিশ্বাসকে তলব করল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। ফলে সিবিআই-এর (CBI) এই তলবে চাপ আরও বাড়ল হাসপাতালের চিকিৎসক সন্দীপ ঘোষের। ডাক পেয়ে এদিন সিজিও কমপ্লেক্সে পৌঁছান বিরূপাক্ষ। তাঁকে করা হচ্ছে জিজ্ঞাসাবাদ। ঘটনার দিনের একটি ভিডিওতে সন্দেহজনকভাবে ক্রাইম সিনে তাঁকে দেখতে পাওয়া গিয়েছিল বলে দাবি জুনিয়র ডাক্তারদের।

বেগুনি জামা পরনে ছিলেন বিরূপাক্ষের!

আরজি কর হত্যাকাণ্ডের (RG Kar Case) একটি ভিডিও সামজিক মাধ্যমে ব্যাপক ভাবে ভাইরাল হয়েছিল। (ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম।) সেখানে বেগুনি জামা পরনে এক ব্যক্তিকে ঘটনাস্থলে লক্ষ্য করা গিয়েছে। তাঁর গতিবিধি ছিল ভীষণ করম রহস্যজনক। ন্যায় বিচারের দাবিতে আন্দোলনরত জুনিয়র ডাক্তারদের বক্তব্য, ক্রাইম সিনে দেখতে পাওয়া ওই সন্দেহভাজন ব্যক্তি হলেন বিরূপাক্ষ। এরপর থেকেই তাঁর উপস্থিতি নিয়ে ব্যাপক শোরগোল পড়েছে।

ঘটনায় কি বিরুপাক্ষ জড়িত?

বিরূপাক্ষের বিরুদ্ধে তৃণমূলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার অভিযোগ মিলেছে। সেই সঙ্গে স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় থ্রেট সিন্ডিকেটের সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত তিনি বলে জানা গিয়েছে। তিনি এক ইন্টার্নকে ফোনে হুমকি দিয়েছিলেন বলে অডিও ভাইরাল হয়েছিল। (অডিওর সত্যতা যাচাই করেনি সংবাদ মাধ্যম মাধ্যম।) সিজিও-তে (CBI) ঢোকার সময় প্রশ্ন করলে সংবাদমাধ্যমকে এড়িয়ে যান নিজে। তবে কোনও নথি আনতে বারণ করা হয়েছিল। সন্দীপ ঘোষের সঙ্গে সম্পর্কের কথা বললেই এড়িয়ে যান তিনি। অপর দিকে মামলার (RG Kar Case) তদন্ত করতে গিয়ে সিবিআই বার বার সুপ্রিম কোর্টে বৃহৎ ষড়যন্ত্রের কথা বলেছে। ফলে ঘটনায় কি বিরূপাক্ষ জড়িত? সন্দীপ ঘোষের কথায় কি ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন? তথ্য প্রমাণ লোপাটে কি কোনও হাত রয়েছে? এইসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে সিবিআই। যদিও সন্দীপকে সাসপেন্ড করলেও বিরূপাক্ষের বিরুদ্ধে এখনও কোনও কড়া পদক্ষেপ নেয়নি স্বাস্থ্য দফতর। কেবলমাত্র বর্ধমান থেকে কাকদ্বীপে বদল করা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ ‘‘ছোট না হলে প্রণাম করতাম’’, মাঝরাতে মশাল মিছিলে কুর্ণিশ জানালেন নির্যাতিতার মা

টাকা নিয়ে ভর্তির সঙ্গে জড়িত!

বিরূপাক্ষের বিরুদ্ধে একাধিক আরও মারাত্মক অভিযোগ (RG Kar Case) রয়েছে। বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজের ক্যান্টিনে ২৩ হাজার ৮০০ টাকা বাকি রেখে চলে গিয়েছেন। ক্যান্টিন থেকে নিয়মিত খবার, চা, সিগারেট খেতেন। কিন্তু কোনও দিন বিল দেননি। ডাক্তারি পরীক্ষায় ভর্তির নামে এক ছাত্রের কাছ থেকে প্রচুর টাকা নিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। দুই দফায় মোট ৮ লক্ষ টাকা নিয়েছিলেন। তবে সেই ছাত্রকে ভর্তি করাতে পারেননি তিনি। সম্পূর্ণ টাকা ফেরত দেননি, মাত্র ৪৫ হাজার টাকা দিয়েছিলেন। পরে ২০২১ সালে জলঙ্গি থানায় অভিযোগ দায়ের হয়। পুলিশ অনেক দিন পদক্ষেপ নেয়নি, শেষে আদালত থেকে জামিন নিয়েছিলেন তিনি।

 

দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

Please follow and like us:

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

LinkedIn
Share