Sukanta Majumdar: সন্দেশখালিকাণ্ডে শাহকে চিঠি সুকান্তর, তুললেন এনআইএ তদন্তের দাবি

Sukanta_Majumdar_(25)

মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালিকাণ্ডের পরে পরেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে টেলিফোন করেছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Sukanta Majumdar)। এই একই ইস্যুতে তাঁকে চিঠি লিখলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারও। শুভেন্দুর মতো তিনিও এনআইএ তদন্তের দাবি তুলেছেন।

আক্রান্ত ইডি

রেশন কেলেঙ্কারি কাণ্ডের মূলে কুঠারাঘাত করতে শুক্রবার সাত সকালে সন্দেশখালিতে পৌঁছে যান ইডির তদন্তকারীরা। স্থানীয় তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহানের বাড়িতে তল্লাশি চালাতেই তাঁরা গিয়েছিলেন সন্দেশখালিতে। সেখানে ওই তৃণমূল নেতার অনুগামীরা ইডির আধিকারিকদের লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল ছোড়ে। জখম হন ইডির দুই আধিকারিক। জখম হয়েছেন তাঁদের সঙ্গে থাকা সিআরপিএফের দুই জওয়ানও। এই ঘটনায় কড়া প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। এ সংক্রান্ত একটি মামলার শুনানিতে বেনজির মন্তব্য করেছেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ও।

শাহকে চিঠি সুকান্তর

এই ঘটনায়ই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে চিঠি লিখেছেন সুকান্ত। চিঠির এক জায়গায় বঙ্গ বিজেপির সভাপতি লিখেছেন, “আমি আপনাকে সনির্বন্ধ অনুরোধ করছি সন্দেশখালিকাণ্ডে এনআইএ তদন্তের নির্দেশ দিন। রাজ্যে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ঠিকঠাক রয়েছে কিনা, তা জানতে এনআইএ তদন্তের প্রয়োজন।” তিনি (Sukanta Majumdar) লিখেছেন, “কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় আদালতে বলেছেন, এটি একটি সাংবিধানিক সমস্যা। রাজ্যপালের অবশ্যই হস্তক্ষেপ করা প্রয়োজন। প্রয়োজন রাষ্ট্রপতির শাসন জারি করা। সন্দেশখালির অকুস্থলে আধাসামরিক বাহিনী মোতায়েন করতেও অনুরোধ করি আপনাকে। যাতে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলির নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়।”

আরও পড়ুুন: “জঙ্গলরাজ-গুন্ডাগিরি মুর্খের স্বর্গেই চলতে পারে”, সন্দেশখালিকাণ্ডে তোপ রাজ্যপালের

এদিকে, সন্দেশখালিকাণ্ডে রোহিঙ্গা যোগ রয়েছে বলে অভিযোগ বিজেপি সাংসদ দিলীপ ঘোষের। তিনি বলেন, “বাংলাদেশ থেকে রোহিঙ্গাদের এনে ক্যাম্প করে রাখেন। তারপর তাদের বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে দেন।” তিনি বলেন, “বিজেপির তিন কর্মীকে খুনের অভিযোগ রয়েছে শাহজাহানের বিরুদ্ধে। এঁদের মধ্যে দু’জনের দেহ পর্যন্ত খুঁজে পাওয়া যায়নি।”

সন্দেশখালিকাণ্ডে বিজেপি (Sukanta Majumdar) সাংসদ জগন্নাথ সরকার বলেন, “বাংলায় বারংবার গণতন্ত্র ব্যর্থ হচ্ছে। তাই ইডি কর্তারা আক্রান্ত হয়েছেন। যেসব সংগঠন দেশ বিরোধী কাজ করছে, তারা ক্রমেই শক্তিশালী হয়ে উঠছে। প্রতিদিনই উদ্ধার হচ্ছে বম্ব-পিস্তল ইত্যাদি। যদিও যথাযথ পদক্ষেপ করা হচ্ছে না। তাই এই সরকারকে সরিয়ে দেওয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ। রাজ্যে জারি করা হোক জরুরি অবস্থা।”

 

দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

Please follow and like us:

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

LinkedIn
Share