মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য যাতে আম-আদমির নাগালের বাইরে না চলে যায়, সেজন্য মূল্য তালিকা প্রকাশ করেছে পাকিস্তান সরকার (Pakistan)। অভিযোগ, তার পরেও রমজান মাসে দোকানিরা এখনও উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি দামে পণ্য বিক্রি করছেন (Price Hikes)। বাজারের এই পরিস্থিতি ঊর্ধ্বমুখী মূল্য নিয়ন্ত্রণে কর্তৃপক্ষের ব্যর্থতাকে স্পষ্ট করে তুলেছে। ফলে অকার্যকর তদারকির চাপ ভোক্তাদের ওপরই পড়ছে। ফল ও সবজি বিক্রেতা ভ্রাম্যমাণ ঠেলাগাড়ি ব্যবসায়ীরা সরকারি মূল্যতালিকা না দেখিয়েই ব্যবসা করছেন। কলা প্রতি ডজন ২০০-৩০০ পাকিস্তানি রুপিতে (PKR) বিক্রি হচ্ছে, যেখানে সরকারের নির্ধারিত মূল্য ২৩৭ রুপি। অবশ্য নিম্নমানের কলা বিক্রি হচ্ছে ১৫০ রুপি প্রতি ডজন।
আকাশ ছোঁওয়া দাম (Pakistan)
পাক সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশ, তরমুজ বাজারে অপ্রতুল। যা মিলছে, তাও অত্যন্ত নিম্নমানের। তা সত্ত্বেও ক্রেতাদের প্রতি কেজি ৩০০ রুপি দিতে হচ্ছে, যেখানে সরকারি মূল্য ২৬২ রুপি প্রতি কেজি (Pakistan)। উচ্চমূল্যের কারণে অনেক খুচরো বিক্রেতা পাইকারি বাজার থেকে তরমুজ কিনতে যাচ্ছেন না। রমজানে জনপ্রিয় আর একটি ফল পেয়ারা প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ২০০-৩০০ রুপিতে, যদিও সরকারের বেঁধে দেওয়া দাম ১৫০-১৫২ রুপি (Price Hikes)। আপেল ও ডালিমের সরকারি মূল্য যথাক্রমে ৩৪০ ও ২৩৯ রুপি প্রতি কেজি। অথচ এগুলিই বিক্রি হচ্ছে ৪০০-৫০০ এবং ২৫০-৩০০ রুপি দামে (Pakistan)। বাজারে তরমুজ (ওয়াটারমেলন) প্রতি কেজি ১৫০-১৮০ রুপিতে বিক্রি হচ্ছে, যা সরকারি ১১৫ রুপির চেয়ে ঢের বেশি।
কমলা লেবু প্রতি ডজন ৩০০-৪০০ রুপি
উচ্চমানের বড় আকারের কমলা লেবু প্রতি ডজন ৩০০-৪০০ রুপিতে বিক্রি হচ্ছে, যেখানে সরকারের নির্ধারিত মূল্য ১৩৬ রুপি। সবেদার সরকারি মূল্য প্রতি কেজি ১৫০ রুপি হলেও, খুচরো বিক্রেতারা নিচ্ছেন ২৫০-৩০০ রুপি প্রতি কেজি (Price Hikes)। পেঁয়াজ এবং আলুর দামও আকাশ ছোঁওয়া। এই দুই পণ্যের সরকারি মূল্য যথাক্রমে ৩৫ ও ২৩ রুপি প্রতি কেজি, যদিও বাজারে বিকোচ্ছে যথাক্রমে ৫০-৬০ এবং ৪০-৫০ রুপিতে। প্রশাসন জীবিত ব্রয়লার মুরগি ও মুরগির মাংসের খুচরো মূল্য যথাক্রমে ৩৩২ ও ৫০০ রুপি নির্ধারণ করেছে। যদিও এগুলি বিক্রি হচ্ছে ৪০০ এবং ৫৫০-৬০০ রুপি দরে (Pakistan)।

Leave a Reply