মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার সন্ধে থেকে রাজ্যের সমস্ত পানশালা এবং মদের দোকান বন্ধ হয়ে গিয়েছে। যদিও প্রথম পর্বে কলকাতায় ভোট (West Bengal Elections 2026) নেই, তবুও কেন বন্ধ? পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (CEO) মনোজ কুমার আগরওয়াল স্পষ্ট জানিয়েছেন যে, কলকাতায় মদের দোকান বন্ধ রাখার বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে কোনও বিশেষ নির্দেশ দেওয়া হয়নি। এই পরিস্থিতিতে শহরের দোকানগুলি কেন বন্ধ রাখা হয়েছে, সে বিষয়ে তিনি রাজ্য আবগারি দফতরের কাছে কৈফিয়ত তলব করবেন বলে জানিয়েছেন।
যেখানে ভোট নেই, সেখানে কেন দোকান বন্ধ থাকবে (West Bengal Elections 2026)
সাধারণ নির্বাচনী বিধি (West Bengal Elections 2026) অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী ক্ষেত্রে ভোটগ্রহণের ৪৮ ঘণ্টা আগে থেকে মদের দোকান বন্ধ রাখার নিয়ম রয়েছে। কিন্তু যেখানে ভোট নেই, সেখানে কেন দোকান বন্ধ থাকবে—তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তবে এই বিষয়ে কমিশনের (CEO) বক্তব্য, যথাযথ নির্দেশ না দেওয়ায় কেন লিকার শপ বন্ধ এই নিয়ে ইতিমধ্যে রাজ্য সরকারের আবগারি দফতরের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছে। উপযুক্ত জবাব না পাওয়া গেলে হতে পারে বিশেষ ব্যবস্থাও।
সিইও-র প্রতিক্রিয়া
মনোজ কুমার আগরওয়াল বলেন, ‘‘কমিশন এমন কোনও নির্দেশ দেয়নি। কেন কলকাতায় মদের দোকান ও পানশালা বন্ধ রাখা হয়েছে, তা আমরা আবগারি দফতরের কাছে জানতে চাইব।’’ উল্লেখ্য নির্বাচন (West Bengal Elections 2026) হোক বা অন্য কোনও বিষয় এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ীরা অজুহাত দেখিয়ে প্রথমে বন্ধ করে এরপর আবার ঘুরিয়ে চড়া দামে অধিক লাভের কৌশল করে। তাই এই চক্রকে বন্ধ করতে সংশ্লিষ্ট দফতরে বিশেষ জবাব তলব করেছে নির্বাচন কমিশন (CEO)।
সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীদের উদ্বেগ
২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Elections 2026) প্রথম দফার ভোটগ্রহণের প্রাক্কালে হঠাৎ করেই কলকাতার বিভিন্ন এলাকায় মদের দোকান বন্ধ হতে দেখা যায়, যা সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে বিভ্রান্তির সৃষ্টি করেছে। তবে নির্বাচনী বিধি অনুযায়ী ভোটের ৪৮ ঘণ্টা আগেই মদের দোকান বন্ধ রাখার নির্দেশ থাকে। প্রথম দফায় ভোট ২৩ এপ্রিল। এই পর্বে ১৫২ বিধানসভায় ভোট তাই ২০ এপ্রিল থেকে ২৩ এপ্রিল বন্ধ থাকবে। অপরে ২৯ এপ্রিল দ্বিতীয় দফায় ভোট। তাই ২৫ এপ্রিল থেকে ২৯ তারিখ পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। একই ভাবে ৪ এপ্রিল গণনা সেইদিনও বন্ধ থাকবে। ফলে যেখানে যখন বিধিনিষেধ থাকা উচিত তা আবগারি দফতর পালন করছে না বলে অভিযোগ উঠে এসেছে।

Leave a Reply