China: ভুটান সীমান্তের বিতর্কিত এলাকায় ফের বাড়ি বানাচ্ছে চিন!

china

মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভুটান সীমান্তের বিতর্কিত এলাকায় ফের বাড়ি বানাচ্ছে চিন (China)। সীমান্ত সমস্যা মেটাতে বর্তমানে দু দেশের মধ্যে চলছে আলাপ আলোচনা। তার মধ্যেই সিঁধ কেটে চলেছে বেজিং। জানা গিয়েছে, বিতর্কিত ওই এলাকায় ইতিমধ্যেই তিনটি গ্রাম গড়ে ফেলেছে লালফৌজ। রবিবার এ খবর প্রকাশিত হয়েছে চিনা দৈনিক মর্নিং পোস্টে।

সিঁধ কাটার ছবি উপগ্রহ চিত্রেও

ভুটান সীমান্তে চিন যে গ্রাম গড়ছে, কিছু দিন আগেই তা জানা গিয়েছিল উপগ্রহ চিত্রে। বেয়ুল খেনপাজং অঞ্চলে নদীর পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে গ্রাম গড়ছে চিন। কেবল এই অঞ্চলে নয়, ভুটানের উত্তর, পশ্চিম এবং দক্ষিণ পশ্চিম ভূখণ্ডে চিন ক্রমশ দখলদারি চালিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতিবেশী দেশ (এক্ষেত্রে ভুটান) দুর্বল জেনেই তাদের এই পদক্ষেপ। খুব (China) কৌশলে ভুটানের জমি দখল করছে চিন। জমি দখল করার পাশাপাশি ভুটানের সঙ্গে সীমান্ত সংক্রান্ত আলোচনাও চালাচ্ছে বেজিং। যার অর্থ, পিছু হটার বদলে ওই অঞ্চলে নির্মাণকাজ বহাল রাখার প্রশ্নে অনড় মনোভাব নিচ্ছে ড্রাগনের দেশ।

চলছে নির্মাণ কাজ

একটি রিপোর্ট থেকে জানা গিয়েছে, হিমালয়ের কোলে প্রত্যন্ত গ্রামে চিন-ভুটান সীমান্তের বিতর্কিত এলাকায় নির্মাণ কাজ করছে চিন। নতুন করে ১৮ জন চিনা নাগরিক তাঁদের জন্য নতুন করে তৈরি বাড়িতে প্রবেশের জন্য অপেক্ষা করছে। বাড়িগুলিতে চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের ছবিও টাঙানো হয়েছে। চিনা ও তিব্বতি ভাষায় লেখা লাল উজ্জ্বল রংয়ের ব্যানারও। গত ২৮ ডিসেম্বর প্রথম দফায় লোকজন ঢোকে সীমান্তে চিনের তৈরি ওই বাড়িগুলিতে। দ্বিতীয় দফায় ঢুকবেন ১৮ জন।

আরও পড়ুুন: তিন বছরেই বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির তালিকায় তিনে আসবে ভারত, বলছে সমীক্ষা

গৃহপ্রবেশের অপেক্ষা করছেন তাঁরাই। রিপোর্ট থেকে এও জানা গিয়েছে, বিতর্কিত এলাকায় চিন অন্তত তিনটি গ্রাম বানিয়েছে। তিব্বত অটোনোমাস রিজিয়নে স্থানীয় প্রশাসন ক্রমেই দখল করে চলেছে এলাকা। চিন এই সিঁদ কাটা নীতি প্রয়োগ করেছিল ভারতের ক্ষেত্রেও। তবে সেটা ভারত-চিন সীমান্তে নয়। সীমান্ত ঘেঁষে চিনের যে ভূখণ্ড রয়েছে, লাল ফৌজ নির্মাণকাজ চালাচ্ছিল সেখানেই। মার্কিন উপগ্রহ চিত্রে দেখা গিয়েছে, ভুটানের ওই বিতর্কিত এলাকায় ১৪৭টি বাড়ি বানিয়েছে চিন (China)।

 

দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

Please follow and like us:

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

LinkedIn
Share