Siksha Bondhu: সুপ্রিম কোর্টে ফের ধাক্কা রাজ্যের, শিক্ষাবন্ধুদের ৬০ বছর পর্যন্ত চাকরিতে বহাল রাখার নির্দেশ

supreme court on ssc case gave stays on calcutta high court order granting age relaxation

মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের শিক্ষাবন্ধুরা এখন থেকে ৬০ বছর বয়স পর্যন্ত কাজ চালিয়ে যেতে পারবেন। এমনই নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। শীর্ষ আদালতের বিচারপতি সঞ্জয় কুমার ও সতীশচন্দ্র শর্মার বেঞ্চ কলকাতা হাইকোর্টের রায়কেই বহাল রাখে এবং জানিয়ে দেয়, শিক্ষাবন্ধুদের (Siksha Bondhu) চাকরির মেয়াদ ৬০ বছর পর্যন্ত বাড়ানো হল। সর্বোচ্চ আদালত এদিন আরও পর্যবেক্ষণ করে জানায়, দেশে শিক্ষকরা যথোপযুক্ত সম্মান পান না বরং অবহেলা ও শোষণের শিকার হন। বিচারপতি সঞ্জয় কুমার এদিন বলেন, যদি কেউ একটানা ২১ বছর ধরে কাজ করে থাকেন, তবে তাঁকে স্থায়ী কর্মী হিসেবে বিবেচনা করা হবে না কেন? দিন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি সঞ্জয় কুমার এবং সতীশচন্দ্র শর্মার বেঞ্চ (Supreme Court) স্পষ্ট নির্দেশ দেয়, শিক্ষাবন্ধুদের বকেয়া অর্থও মেটাতে হবে।

সর্বশিক্ষা মিশনের অধীনেই নিয়োগ পান শিক্ষাবন্ধুরা (Siksha Bondhu)

প্রসঙ্গত, ২০০৪ সালে রাজ্য সরকার সর্বশিক্ষা মিশনের অধীনে শিক্ষাবন্ধুদের (Siksha Bondhu) নিয়োগ করে। এরপর ২০১৩ সালে রাজ্য সরকার তাঁদের ‘স্বেচ্ছাসেবক’ হিসেবে ঘোষণা করে। কিন্তু ২০১৪ সালে, তাঁদের ভাতা বন্ধ করে এবং ৬০ বছরের আগেই অবসর নেওয়ার নির্দেশ জারি করে রাজ্য। এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে শিক্ষাবন্ধুরা কলকাতা হাইকোর্টে মামলা দায়ের করেন। ২০২৩ সালে, বিচারপতি রবীন্দ্রনাথ সামন্তের বেঞ্চ রাজ্য সরকারের সিদ্ধান্ত খারিজ করে দেন। তবে, সেই রায়ের বিরুদ্ধে রাজ্য সরকার ডিভিশন বেঞ্চে আপিল করে।

রাজাশেখর মান্থা এবং বিচারপতি অজয়কুমার গুপ্তের ডিভিশন বেঞ্চে একই রায় দেয়

এই নিয়ে মামলা উঠেছিল বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা এবং বিচারপতি অজয়কুমার গুপ্তের ডিভিশন বেঞ্চে। সেখানে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল শিক্ষকদের মতো শিক্ষামিত্রদেরও কাজ করার অধিকার রয়েছে ৬০ বছর পর্যন্ত। ২০২৫ সালে দেওয়া এই মামলার রায়ে ডিভিশন বেঞ্চ হাইকোর্টের আগের রায়কেই বহাল রাখে, যা শিক্ষাবন্ধুদের পক্ষে এক গুরুত্বপূর্ণ জয় হিসেবে বিবেচিত হয়। এরপরে সুপ্রিম কোর্টও সেই রায়ই বহাল রাখল। সূত্রের খবর, বর্তমানে রাজ্যে মোট ৩,৩৩৭ জন শিক্ষাবন্ধু রয়েছেন। পিছিয়ে পড়া ও স্কুলছুট পড়ুয়াদের আবার শিক্ষার স্রোতে ফিরিয়ে আনাই তাঁদের মূল দায়িত্ব।

Please follow and like us:

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

LinkedIn
Share