Taiwan: চিনের মুখে ঝামা ঘষে তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট পদে জয়ী লাই

tiwan_f

মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিনের মুখে ঝামা ঘষে দিয়ে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জয়ী হলেন তাইওয়ানের (Taiwan) লাই চিং-তে। তিনি ডেমোক্রেটিক প্রোগ্রেসিভ পার্টির প্রার্থী। শনিবার নির্বাচন শেষে ভোট গণনা শুরু হয় তাইওয়ানে। গণনা শুরু হতেই স্পষ্ট হয়ে যায় প্রেসিডেন্ট পদে জিততে চলেছেন চিং-তে।

চিন বিরোধী লাই

গণনা শেষে দেখা গেল, তিনিই জয়ী হয়েছেন। নির্বাচন না করতে হুঁশিয়ারি দিয়েছিল চিন। ড্রাগনের দেশের সেই হুমকি উড়িয়েই হয় নির্বাচন। জয়ী হন চিং-তে। বর্তমানে তিনি দ্বীপরাষ্ট্রটির উপরাষ্ট্রপতি। তিনি বরাবরই তাইওয়ানের (Taiwan) পৃথক পরিচিতির পক্ষে সওয়াল করে আসছেন। চিন যে তাইওয়ানকে তাদের দেশের অন্তর্ভুক্ত বলে মনে করে, তাকেও ফুৎকারে উড়িয়ে দিয়েছেন তিনি। প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে চিং-তে-র দুই প্রতিদ্বন্দ্বীই গোহারা হেরেছেন। এঁরা হলেন, তাইওয়ানের বৃহত্তম বিরোধী পার্টি কেএমটির হৌ ইউ-ই এবং তাইপেইয়ের ভূতপূর্ব মেয়র তাইওয়ান পিপলস পার্টির কো ওয়েন-জে।

‘বিপজ্জনক বিচ্ছিন্নতাবাদী’

চিং-তে-কে বিপজ্জনক বিচ্ছিন্নতাবাদী বলে তোপ দেগেছে চিন। বেজিং এও বলেছিল, তাইওয়ানের ফর্মাল স্বাধীনতার দিকে এগনো মানে যুদ্ধের জন্ম দেওয়া। চিং-তের সঙ্গে কোনও প্রকার আলোচনা করতেও অস্বীকার করেছিল তারা। এহেন আবহেও তাইওয়ানের প্রত্যেক নাগরিককে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন চিং-তে। নির্বাচনের আগে তিনি বলেছিলেন, “প্রতিটি ভোট মূল্যবান। কেননা এই গণতন্ত্র অনেক কষ্টে অর্জন করেছে তাইওয়ান।” উপরাষ্ট্রপতি এও বলেছিলেন, “দেশে শান্তি বজায় রাখতে আমি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তাইওয়ান প্রণালী বরাবর স্থিতাবস্থাও বজায় রাখব। রক্ষা করব দ্বীপরাষ্ট্রের নিরাপত্তা।”

আরও পড়ুুন: “রাম বোধ হয় বিপিএল ছিলেন”! তৃণমূল সাংসদের মন্তব্যে তীব্র বিতর্ক

প্রসঙ্গত, তাইওয়ানে প্রথমবার প্রেসিডেন্ট নির্বাচন হয়েছিল ১৯৯৬ সালে। তাইওয়ানের এই নির্বাচন ঘিরে আমেরিকা ও চিনের হুমকি-পাল্টা হুমকি শুরু হয়ে গিয়েছিল অনেক আগেই। বেজিং জানিয়ে দিয়েছিল, তাইওয়ানের নির্বাচনে ওয়াশিংটন প্রভাব খাটানোর চেষ্টা করলে তার পরিণাম খারাপ হবে। চিনের রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদ মাধ্যম জানিয়ে দিয়েছিল, এক চিন নীতি থেকে কোনও অবস্থায়ই সরে আসবে না বেজিং। আমেরিকাও জানিয়ে দিয়েছিল, কোনও অবস্থায়ই চিনের হুমকির কাছে মাথা নোয়াবে না তারা। পেন্টাগনের এক আধিকারিক বলেছিলেন, “ভোটে যে পক্ষই জয়ী হোক না কেন, আমেরিকার তাইওয়ান (Taiwan) নীতিতে কোনও পরিবর্তন হবে না।”

 

দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

 

Please follow and like us:

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

LinkedIn
Share