US Woman on India: ‘ভারতই সন্তানদের মানুষ করার সেরা ঠিকানা’, কেন জানালেন আমেরিকান মহিলা?

us woman kirsten fischer

মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারততীর্থ মহামনবের মিলনক্ষেত্র। বরবার বিশ্বের নানা প্রান্তের মানুষ মিলিত হয় এই পুণ্যভূমিতে। ভারতীয় সংস্কৃতির সঙ্গে মিলেমিশে একাকার হয়ে গিয়েছে শক-হূণ-পাঠান-মোঘল থেকে ইংরেজ, পর্তুগীজ এমনকি আমেরিকানরাও। সকলকে নিজের সঙ্গে একাত্ম করে নিয়েছে ভারতবাসী। বৈচিত্রের মধ্যে ঐক্যই ভারতের বৈশিষ্ট্য। সম্প্রতি কার্স্টেন ফিশার (US Woman on India) নামে এক আমেরিকান জানিয়েছেন তিনি তাঁর সন্তানদের ভারতেই বড় করতে চান। গত চার বছর ধরে যুক্তরাষ্ট্র ছেড়ে ভারতে থাকছেন তিনি। দিল্লিতে তাঁর তিন সন্তানকে বড় করছেন কার্স্টেন। সম্প্রতি এক ভিডিওতে তাঁর এই সিদ্ধান্তের পেছনের কারণগুলো বিস্তারিতভাবে বর্ণনা করেছেন কার্স্টেন (Kristen Fischer)।

সহানুভূতিশীল মন

কার্স্টেন বলেন, “ভারতে বসবাসের মাধ্যমে আমার সন্তানরা বিভিন্ন মানুষ এবং সংস্কৃতির প্রতি সহানুভূতি বাড়াতে পারবে, যা তাদের সামাজিক দক্ষতা উন্নত করতে সাহায্য করবে।” ফিশার জানান, ভারতের পরিবারগুলি খুবই বন্ধুত্বপূর্ণ এবং পারস্পরিক সম্পর্কের প্রতি তাদের বিশেষ যত্ন থাকে। তিনি বিশ্বাস করেন, এর ফলে তার সন্তানরা আরও গভীর সম্পর্ক তৈরি করতে সক্ষম হবে, যা আত্মকেন্দ্রিক মার্কিন সংস্কৃতির তুলনায় অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তিনি আরও বলেন, “ভারতে যে অঞ্চলে দারিদ্র্য এবং ধন-সম্পদের বৈপরীত্য রয়েছে, সেখানে জীবন যাপনের মাধ্যমে সন্তানরা সহজতা, কৃতজ্ঞতা এবং নিজেদের কাছে যা আছে তার মূল্য বুঝতে শেখে।”

পরিবারের অনুভূতি

ভারতীয় সমাজে সম্পর্কের গভীরতা এবং একে অপরকে সহায়তা করার পরিবেশের প্রশংসা করে কার্স্টেন তাঁর ভিডিওতে বলেন, “যদিও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অর্থ উপার্জন করা কিছুটা সহজ, কিন্তু সত্যিকারের সুখ আসে সম্পর্ক এবং পরিবারের অনুভূতি থেকে, যা আমি ভারতে খুঁজে পেয়েছি।” এছাড়া, তিনি উল্লেখ করেন যে ভারতে বসবাসের ফলে তাঁর সন্তানরা বিশ্বের নানা প্রান্তের বন্ধু তৈরি করতে সক্ষম হবে, যা ভবিষ্যতে তাদের পেশাগত জীবনে সহায়ক হতে পারে। ফিশারের মতে, ভারতে আসার পর তিনি আরও বেশি সুখী। সাম্প্রদায়িক এবং সাংস্কৃতিকভাবে নিজেকে আরও সম্পৃক্ত অনুভব করেন, যা তিনি যুক্তরাষ্ট্রে কখনোই অনুভব করেননি।

Please follow and like us:

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

LinkedIn
Share