Monsoon Rain Update: বর্ষা ঢুকে গেছে দেশে, কিন্তু ঝেঁপে বৃষ্টি কই? কবে থেকে ভারী বর্ষণ, জানাল হাওয়া অফিস

monsoon rain to remain inactive for 7 days may heavy rain fall from june 23

মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃষ্টি নেমেছে শহরে। কিন্তু গরম কমেনি। বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণও বেশি। ক্যালেন্ডারের পাতায় বর্ষা (Monsoon Rain Update) এসে গেলেও বাস্তবে বৃষ্টির দেখা খুবই কম। দেশের বিস্তীর্ণ অংশে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু প্রবেশও করে গিয়েছে। কিন্তু গরমে এখনও হাঁসফাঁস করছে দেশের একটা বড় অংশ। এর মধ্যেই আরও দুঃসংবাদ শোনাল আবহাওয়া দফতর। হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী অন্তত এক সপ্তাহ দেশজুড়ে ব্যাপক বা ভারী বৃষ্টির (Rain in Bengal) কোনও সম্ভাবনা নেই। আবহাওয়ার মডেলগুলি বলছে, ২৩ জুনের আগে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার আশা খুবই ক্ষীণ।

দুর্বল মৌসুমি বায়ু

আবহাওয়াবিদদের মতে, মধ্য ও পূর্ব ভারতের বেশ কিছু এলাকায় বর্ষা প্রবেশ করলেও বর্তমান আবহাওয়া ব্যবস্থা (Weather System) অস্বাভাবিক রকমের দুর্বল। স্যাটেলাইট চিত্রেও বৃষ্টির অনুকূল মেঘের সেভাবে দেখা মিলছে না। যার জেরে ১৫ থেকে ২১ জুনের মধ্যে দেশের এক বিশাল অংশে কার্যত বৃষ্টিহীন পরিস্থিতি থাকবে। ফলে আগামী দিনে দেশে সার্বিক বৃষ্টির ঘাটতি আরও অনেকটাই বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। দেশে বর্ষা বা মৌসুমি বায়ু এবার বিলম্বিতই। তার উপর চলছে বেশ ধীরগতিতে। এতদিনে দক্ষিণ ভারত, পূর্ব ও মধ্য ভারত স্বাভাবিক ছন্দে পার করে পুরোপুরি উত্তর ভারতের কিছু অংশে বর্ষা ঢুকে পড়ার কথা। কিন্তু এখনো পর্যন্ত মধ্য ও উত্তর ভারতে বর্ষা প্রবেশ করেনি। এমনকি শুরু হয়নি দক্ষিণ ভারতের সমগ্র অংশেও। আপাতত কেরল ও তামিলনাড়ু, গোয়া এবং উত্তর-পূর্ব ভারতে বর্ষা পুরোপুরি প্রবেশ করেছে। পূর্ব ভারতের মধ্যে একমাত্র পশ্চিমবঙ্গে, প্রায় গোটা রাজ্যে বর্ষাকাল শুরু হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে বর্ষা প্রবেশ করলেও শুধু উত্তরবঙ্গের পাহাড় ও লাগোয়া এলাকায় ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টিপাতের পরিস্থিতি আছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। রাজ্যের বাকি অংশে যেখানে বজ্রগর্ভ মেঘ সৃষ্টি হচ্ছে সেখানেই কিছুটা বৃষ্টি হচ্ছে। এই পরিস্থিতিই আপাতত থাকবে।

কবে থেকে ভারী বৃষ্টি?

আবহাওয়া অফিস জানাচ্ছে, ২২ জুন থেকে ২৮ জুনের মধ্যে বাড়তে পারে বৃষ্টির সম্ভাবনা। বিশেষত, অভ্যন্তরীণ অঞ্চল, আন্ধ্রপ্রদেশ-কর্নাটক সীমান্ত, দক্ষিণ তামিলনাড়ু এবং কেরলের পশ্চিমঘাট এলাকায় বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। উপকূলীয় কেরল ও কর্নাটক, পাশাপাশি মুম্বই পর্যন্ত বিস্তৃত পশ্চিমঘাট অঞ্চলেও বৃষ্টিপাতের পরিমাণ বাড়তে পারে। ২৯ জুন থেকে ৫ জুলাই, মাসের একেবারে শেষলগ্নে গিয়ে বড়সড় পরিবর্তন আসতে পারে। আবহাওয়ার বিভিন্ন মডেল ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, এই সময়পর্বে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু ফের সক্রিয় হয়ে উঠবে এবং দেশজুড়ে বৃষ্টির ঘাটতি মেটাতে সাহায্য করবে। আপাতত জুনের শেষ সপ্তাহ পর্যন্ত বৃষ্টির এই লুকোচুরি খেলা চলবে বলেই মনে করছে হাওয়া অফিস। উল্লেখ্য, চলতি মাসের প্রথম ১৬ দিনে কলকাতাসহ পশ্চিমবঙ্গেও বেশকিছু অংশে বৃষ্টির ঘাটতি রয়েছে।

Please follow and like us:

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

LinkedIn
Share