Election Commission of India: দল কার, প্রতীক কার? মমতা-ঋতব্রত, তৃণমূলের দুই পক্ষকেই নোটিস ধরাল নির্বাচন কমিশন

election commission of india sent notice to mamata and ritabrata banerjee to prove their claim over tmc

মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ কার হাতে থাকবে? তৃণমূলের অধিকার নিয়ে মমতা এবং ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়, দুই পক্ষকেই নোটিস দিল জাতীয় নির্বাচন কমিশন (Election Commission of India)। কেন প্রকৃত তৃণমূল কংগ্রেসের মান্যতা দেওয়া হবে সেই প্রসঙ্গে নিজেদের সমর্থনে তথ্য দিয়ে নোটিসের জবাব দিতে হবে। ৬ জুলাই, আগামী সোমবার, বিকেল সাড়ে পাঁচটার মধ্যে দুই পক্ষকেই নোটিসের জবাব জমা দিতে হবে এমনই জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। বৃহস্পতিবার নিজেদের ‘আসল’ তৃণমূল কংগ্রেস দাবি করে স্বীকৃতি আদায় করতে নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছিলেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। এরপরই কমিশনের তরফে দুই শিবিরকেই চিঠি দেওয়া হয়।

দুই পক্ষের দাবি

ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে পরাজয়ের পরই ঘাসফুল শিবিরে ভাঙন ধরে। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ও তাঁর সাংসদ ভাইপো অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবির থেকে বেরিয়ে এসে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে একটি গোষ্ঠী তৈরি হয়। বিদ্রোহী গোষ্ঠীর দাবি, দলের ৮০ জন বিধায়কের মধ্যে ৬৫-রও বেশি জনের সমর্থন রয়েছে তাঁদের কাছে। ইতিমধ্যে ঋতব্রত পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা হিসেবে নির্বাচিতও হয়েছেন। অন্যদিকে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুগামীদের যুক্তি, বিধানসভার সংখ্যার চেয়ে সাংগঠনিক শক্তিই দলের কর্তৃত্ব নির্ধারণ করে। দলের সংবিধান বা নিজস্ব আইন রয়েছে। সেই মোতাবেক সংগঠনের নিয়ন্ত্রণ এখনও দৃঢ়ভাবে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর হাতেই রয়েছে। তাঁরা সেই সংক্রান্ত নথিও জমা করেছেন কমিশনে।

কমিশনের বিজ্ঞপ্তি-তে কী বলা হল

সাম্প্রতিক, কালে তৃণমূলের ন্যাশনাল ওয়ার্কিং কমিটি নিয়েও জট ক্রমেই বেড়েছে। প্রশ্ন উঠেছে বৈধতা নিয়ে। এই আবহে ঋতব্রত শিবিরের বক্তব্য, ২০২৫ সালে ফেব্রুয়ারি মাসে পুরনো ওয়ার্কিং কমিটির মেয়াদ শেষ হয়ে গিয়েছে। তারপর আর কোনও অভ্যন্তরীণ নির্বাচন হয়নি। অপরদিকে মমতা শিবিরের বক্তব্য, ২০২৬ এর ফেব্রুয়ারি মাসে তাঁরা কমিটির তালিকা পাঠিয়ে দিয়েছেন। ফলে বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন থাকার কথা নয়। এখন এর মূলেই যেতে চাইছে কমিশন। নির্বাচন কমিশনের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, কারা ‘আসল’ তৃণমূল এবং কাদের হাতে দলের প্রতীক, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট, অনুমোদিত স্বাক্ষরকারী ও অন্য সাংগঠনিক বিষয় পরিচালনার অধিকার থাকবে- তা নিয়ে উভয় পক্ষের দাবির প্রেক্ষিতে এই নোটিশ পাঠানো হয়েছে। আগামী সোমবার বিকেল সাড়ে পাঁচটার মধ্যে দুই পক্ষকেই উত্তর দিতে হবে।

Please follow and like us:

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

LinkedIn
Share