মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাম মন্দিরের অনুদান (Ram Mandir Scam) ব্যবস্থাপনা নিয়ে সাম্প্রতিক নানা জল্পনার মধ্যে সরকারি সূত্রের তরফে দাবি করা হয়েছে, শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থ ক্ষেত্র ট্রাস্টের কাছে জমা পড়া প্রায় ৩,৩০০ কোটি অনুদানের পুরো অর্থই হিসেবভুক্ত এবং অডিট করা হয়েছে। বড় ধরনের আর্থিক অনিয়ম বা প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতির অভিযোগকে সরকারি সূত্রগুলি ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছে। সূত্রের দাবি, স্বাধীন তৃতীয় পক্ষের বহিরাগত অডিটর -এর মাধ্যমে ট্রাস্টের আর্থিক লেনদেন পরীক্ষা করা হয়েছে। মন্দির নির্মাণে প্রায় ১,৮০০ কোটি এবং জমি অধিগ্রহণে প্রায় ৪০০ কোটি ব্যয় হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। এই বড় অঙ্কের লেনদেনে নগদ ব্যবহার করা হয়নি এবং নির্দিষ্ট ব্যাঙ্কিং প্রক্রিয়া মেনেই অর্থ প্রদান করা হয়েছে বলে সরকারি সূত্রের দাবি।
মন্দির ট্রাস্টের সঙ্গে অভিযুক্তদের যোগ নেই
সরকারি সূত্রের বক্তব্য অনুযায়ী, যে চুরির ঘটনা নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে, সেটি মেশিনে টাকা গণনার আগে ম্যানুয়ালি নগদ বাছাই ও গোনার সময় ঘটে যাওয়া একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা। সিসিটিভি ফুটেজের ভিত্তিতে ছয়জন বহিরাগত কর্মীকে চিহ্নিত করা হয়। তাঁরা সৈনিক সিকিউরিটি সার্ভিসের Sainik Security ServicesSSS)-এর মাধ্যমে নিযুক্ত ছিলেন। SSS আবার স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার (SBI) চুক্তিভিত্তিক পরিষেবা সংস্থা হিসেবে কাজ করছিল বলে সূত্রের দাবি। অভিযুক্তদের গ্রেফতারও করা হয়েছে। সরকারি সূত্র স্পষ্ট করেছে, গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিদের মন্দির প্রশাসন বা শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থ ক্ষেত্র ট্রাস্টের সঙ্গে কোনও সম্পর্ক ছিল না।
সুপ্রিম কোর্টের নজরদারিতে তদন্ত
ঘটনার তদন্তের জন্য পুনর্গঠিত সিট (SIT) কাজ করছে। তদন্ত প্রক্রিয়াটি সুপ্রিম কোর্টের নজরদারিতে রয়েছে বলে সরকারি সূত্র জানিয়েছে। সিনিয়র আইপিএস আধিকারিকদের নেতৃত্বে তদন্ত চালানো হচ্ছে, যাতে তদন্তের নিরপেক্ষতা ও স্বচ্ছতা বজায় থাকে। সূত্রের বক্তব্য, সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পর এলাকায় জমির বাজারদর বেড়ে যাওয়া এবং জমির সঙ্গে থাকা বাণিজ্যিক কাঠামোর নিষ্পত্তির কারণে অধিগ্রহণের খরচ বেশি হয়েছে।

Leave a Reply