Arunachal Pradesh: অবৈধ ধর্মীয় পরিকাঠামো নির্মাণ বন্ধ করতে হবে, দাবি অরুণাচলবাসীর

Arunachal Pradesh govt orders demolition of illegal mosques

মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মুসলিম ও ভারতের বিভিন্ন অংশ থেকে আসা ইসলামপন্থী-সহ অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে এবং অরুণাচল প্রদেশের স্থানীয় জনগণের তৈরি মসজিদ ও মাদ্রাসার মতো অবৈধ ধর্মীয় পরিকাঠামো নির্মাণের প্রতিবাদে আন্দোলন এখন চরমে। রাজ্যের একাধিক আদিবাসী সংগঠন অবৈধ বসতিস্থাপনকারীদের (Arunachal Pradesh) বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করেছে এবং রাজ্য সরকারকে অবিলম্বে পদক্ষেপ নিতে বাধ্য করার লক্ষ্যে ২৪ ঘণ্টার অরুণাচল বনধের ডাক দিয়েছে।

অরুণাচল এসটি বাঁচাও আন্দোলন (Arunachal Pradesh)

লোয়ার সুবনসিরি জেলার প্রশাসন ২০ জানুয়ারি, অরুণাচল এসটি বাঁচাও আন্দোলনের ডাকা ২৪ ঘণ্টার বনধ চলাকালীন পারিয়ামি মসজিদ খালি করে দেয়। এর ফলে জিরোতে কথিত দুটি অবৈধ মসজিদকে কেন্দ্র করে যে আন্দোলন চলছে, তা আরও তীব্র হয়। এই বনধের মূল লক্ষ্য ছিল সুলুয়া ও পারিয়ামিতে নির্মিত অনুমোদনহীন পরিকাঠামো। সংগঠনটি ওই কাঠামোগুলি অবিলম্বে ভেঙে ফেলার দাবি জানিয়েছে।  পাশাপাশি পারিয়ামি মসজিদের ভেতরে থাকা একটি ইসলামি স্তম্ভ অপসারণের দাবিও তোলেন স্থানীয়রা। এ জন্য ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত সময়সীমা নির্ধারণ করা হয় এবং দাবি পূরণ না হলে আরও কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।

এসটি বাঁচাও আন্দোলন

এর প্রেক্ষিতে অরুণাচল প্রদেশ সরকার সুলুয়া মসজিদ, যেটি ২৯ ডিসেম্বর ২০২৫ সালে এসটি বাঁচাও আন্দোলনের অভিযোগের পর সিল করা হয়েছিল, তা খুলে দেওয়ার নির্দেশ দেয়, যাতে জমির মালিক রুবু তাপা নিজের খরচে সেটি ভেঙে ফেলতে পারেন। এই নির্দেশ আসে ১৯ জানুয়ারি ওল্ড জিরো মার্কেট ওয়েলফেয়ার কমিটির এক আবেদনের পর। ইনচার্জ ডেপুটি কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী (Illegal Mosques) এসডিও হাগে তারুং অবিলম্বে কার্যকর করার জন্য সার্কেল অফিসার মিস মিডে বাগেকে নির্দেশ দেন। এই নির্দেশের অনুলিপি পুলিশ সুপার, টাউন ম্যাজিস্ট্রেট, জিরো পুলিশ স্টেশন, এসটি বাঁচাও আন্দোলন এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে পাঠানো হয়।

নিরাপত্তা ইস্যু

এদিকে, অরুণাচল প্রদেশে নিরাপত্তা ইস্যুকে গুরুত্ব দেওয়ার আর একটি পদক্ষেপ হিসেবে রাজ্যপাল কেটি পার্নাইক শুক্রবার সদ্যনিযুক্ত ডিজিপি শিব দর্শন সিং জামওয়ালকে অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। পার্নাইক বলেন, “অবৈধ অনুপ্রবেশ সামাজিক সম্প্রীতি ও অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার পক্ষে মারাত্মক হুমকি, যা লোয়ার সুবনসিরির মতো জেলাগুলিতে অননুমোদিত ধর্মীয় কাঠামো ও জনসংখ্যাগত পরিবর্তন নিয়ে স্থানীয় উদ্বেগের সঙ্গেও সামঞ্জস্যপূর্ণ (Arunachal Pradesh)।” এই ঘটনাপ্রবাহ স্পষ্ট দেখাচ্ছে যে জেলাটিতে অবৈধ ধর্মীয় কাঠামোকে ঘিরে উত্তেজনা ক্রমশ বাড়ছে।

এর আগে, ২৭ ডিসেম্বর রাজ্যের রাজধানী ইটানগরে অনুষ্ঠিত এক বিশাল সমাবেশে একাধিক সংগঠন রাজ্য থেকে অবৈধ বাংলাদেশি ‘মিঞা-মুসলিম’ বসতিস্থাপনকারীদের উচ্ছেদ এবং তাদের ইনার লাইন পারমিট (আইএলপি) বাতিলের দাবি তোলে। অরুণাচল প্রদেশ ইন্ডিজেনাস ইয়ুথ ফোর্স (IYFA) এবং অরুণাচল প্রদেশ ইন্ডিজেনাস ইয়ুথ অর্গানাইজেশনের (APIYO) উদ্যোগে আয়োজিত এই বিক্ষোভে অংশগ্রহণকারীরা ‘বন্দে মাতরম’ ও ‘ভারত মাতা কি জয়’ ধ্বনি দেন (Illegal Mosques)। সংগঠনের নেতারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “অভিবাসীদের রাজ্যে কোনও জায়গা নেই এবং অরুণাচল প্রদেশ ও সমগ্র উত্তর-পূর্ব ভারত কখনওই বাংলাদেশের অংশ হতে পারে না (Arunachal Pradesh)।”

 

Please follow and like us:

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

LinkedIn
Share