Baruipur Incident: বারুইপুরে নাবালিকা ধর্ষণ-খুনের পর হিংসায় উসকানির অভিযোগ, ধৃত সিপিএম নেতা লাহেক আলি

baruipur violence cpim leader lahek ali arrested in connection with violent protests

মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বারুইপুর কাণ্ডে (Baruipur Incident) অশান্তিতে উস্কানির অভিযোগে গ্রেফতার সিপিএম নেতা লাহেক আলি। সূর্যপুরে অশান্তির ঘটনায় গ্রেফতার সিপিএমের রাজ্য কমিটির সদস্য। এবারের বিধানসভা নির্বাচনে বারুইপুর পশ্চিম থেকে প্রার্থীও হয়েছিলেন তিনি। রবিবার ১২ জুলাই রাতে বারুইপুরে বাড়ি থেকেই গ্রেফতার করা হয় লাহেক আলিকে। দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুরের সূর্যপুরে নাবালিকাকে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছিল এলাকায়। সেই ঘটনার জেরে হওয়া বিক্ষোভে হিংসা ছড়ানোর অভিযোগে এবার গ্রেফতার হলেন স্থানীয় সিপিএম নেতা। এই ঘটনায় এই প্রথম কোনও রাজনৈতিক নেতাকে গ্রেফতার করল পুলিশ। ধৃত বাম নেতাকে আজ, সোমবার বারুইপুর মহকুমা আদালতে পেশ করা হবে।

তথ্যপ্রমাণের ভিত্তিতেই গ্রেফতার

পুলিশ সূত্রে খবর, সূর্যপুরের ঘটনার পর গত রবিবার এলাকায় তীব্র গণবিক্ষোভ শুরু হয়। আন্দোলনকারীরা রাস্তা অবরোধ করেন এবং একপর্যায়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গেলে পুলিশের ওপর চড়াও হন। দফায় দফায় ভাঙচুর চালানো হয় পুলিশের গাড়িতে। বেশ কয়েকজন পুলিশকর্মীও এই হামলায় জখম হন। অভিযোগ, ঘটনার দিন আন্দোলনের নামে এলাকায় উত্তেজনা ছড়ানো এবং পুলিশের ওপর হামলায় সরাসরি উস্কানি দিয়েছিলেন সিপিএম নেতা লাহেক আলি। ঘটনার সময় তিনি সশরীরে সেখানে উপস্থিতও ছিলেন। তদন্তকারী আধিকারিকদের দাবি, সিসিটিভি ফুটেজ ও ঘটনার দিনের বেশ কিছু ভিডিও ফুটেজ খতিয়ে দেখে এবং প্রাথমিক তদন্তে সুনির্দিষ্ট তথ্যপ্রমাণের ভিত্তিতেই লাহেক আলিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ঘটনার (Baruipur violence) দিন আইজি প্রেসিডেন্সি রেঞ্জ কঙ্করপ্রসাদ বারুইের পাশেও দেখা যায় এই লাহেক আলিকে। ঘটনার পর পুলিশ একটি এফআইআর করে। যেখানে সুজন চক্রবর্তী ও লাহেক আলি-লহ চারজনের নাম ছিল।

কোন কোন ধারায় মামলা রুজু

ধৃত সিপিএম নেতা লাহেক আলির বিরুদ্ধে বিএনএস- এর ২০টি ধারায় মামলা রুজু হয়েছে। উস্কানি, প্ররোচনা, গন্ডগোল পাকানো, সরকারি সম্পত্তি ভাঙচুরের ধারায় মামলা হয়েছে লাহেক আলির বিরুদ্ধে। জানা গিয়েছে, লাহেক আলির বিরুদ্ধে রেলওয়ে অ্যাক্টেও মামলা দায়ের হয়েছে। অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র, গণপিটুনিতে খুন, প্ররোচনা দেওয়া, বেআইনি সমাবেশ, দাঙ্গা, প্রাণঘাতী অস্ত্র নিয়ে আসা, উস্কানি দেওয়া, বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে শত্রুতা-বিদ্বেষ ছড়ানো, জনসাধারণের সম্পত্তি নষ্ট করা, ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করা, সরকারি কর্মচারীকে কাজে বাধা, সরকারি কর্মচারীর উপর হামলা, অপরাধমূলক ভয় দেখানো, সরকারি সম্পত্তি নষ্ট করা, সংরক্ষিত সম্পত্তি নষ্ট করা, অবৈধ কাজ করা, রেলের সম্পত্তির ক্ষতি করা, রেলকর্মীদের নিরাপত্তা বিঘ্নিত – এই ধারাগুলিতে মামলা রুজু হয়েছে ধৃত লাহেক আলির বিরুদ্ধে।

Please follow and like us:

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

LinkedIn
Share