NIA Raid: গুপ্তচরবৃত্তি মামলায় হরিয়ানায় এনআইএ-র অভিযান, পাক-যোগ সন্দেহে আটক ৮

NIA Arrests

মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তান-যোগ সন্দেহে গুপ্তচরবৃত্তির (NIA Raid) মামলায় বড়সড় অভিযান চালাল এনআইএ (National Investigation Agency)। হরিয়ানার পালওয়াল ও নুহ্ জেলায় একযোগে তল্লাশি চালিয়ে শনিবার মোট ৮ জন সন্দেহভাজনকে আটক করা হয়েছে। বর্তমানে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলি তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করছে। এনআইএ সূত্রে জানা গিয়েছে, পালওয়ালের হাতিন এলাকার পওয়াসার গ্রাম এবং নুহ্ জেলার তৌরু এলাকায় একাধিক জায়গায় একসঙ্গে অভিযান চালানো হয়। পওয়াসার গ্রাম থেকে ৩ জনকে আটক করা হয়েছে। তৌরু এলাকা থেকে ৫ জনকে আটক করা হয়েছে। এই অভিযানে এনআইএ-র পাশাপাশি জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ এবং স্থানীয় স্পেশাল টাস্ক ফোর্সও যুক্ত ছিল। যাতে কেউ পালাতে না পারে এবং প্রমাণ নষ্ট না হয়, সেদিকে সজাগ দৃষ্টি ছিল তদন্তকারীদের।

রয়েছে পাকিস্তান যোগ

প্রাথমিক তদন্তে জানা যাচ্ছে, এক পাকিস্তানি নাগরিক শ্রীনগরের বাসিন্দা সেজে এই নেটওয়ার্ক তৈরি করেছিল। সে মেওয়াট অঞ্চলকে কেন্দ্র করে স্থানীয়দের সঙ্গে যোগাযোগ গড়ে তোলে এবং ধীরে ধীরে একটি গুপ্তচর চক্র তৈরি করার চেষ্টা করছিল। আটক ব্যক্তিরা সচেতনভাবে জড়িত ছিল কি না, তারা কোনও সংবেদনশীল তথ্য বিদেশি সংস্থার কাছে পাচার করেছে কি না খতিয়ে দেখছে তদন্তকারী। ঘটনার পর মেওয়াট এলাকায় নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। স্থানীয়দের তদন্তে সহযোগিতা করার আবেদন জানিয়েছে প্রশাসন।

দেশের ভিতরে গুপ্তচর চক্র

হরিয়ানার পালওয়াল-মেওয়াত অঞ্চলে এক সন্দেহভাজন ‘আইএসআই এজেন্ট’ গ্রেফতারের পর গোটা এলাকাজুড়ে তৎপরতা বাড়িয়েছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। তদন্তকারীরা প্রথমে ইরফান জেলদার (৩০)-এর বাড়িতে পৌঁছে তাঁকে দীর্ঘক্ষণ জেরা করেন। জানা গিয়েছে, তাঁর ফোনে জম্মু ও কাশ্মীরের এক ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগের সূত্র মিলেছে। যদিও পরে তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়, তাঁর মোবাইল ফোনটি ফরেন্সিক পরীক্ষার জন্য বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। অন্যদিকে, নুহ্ সদর থানার অন্তর্গত সোহনা গ্রামে মহম্মদ ইউসুফ (৩৮)-এর বাড়িতেও হানা দেয় যৌথ বাহিনী। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয় এবং তাঁর ফোনও বাজেয়াপ্ত করা হয়। তদন্তকারীরা সম্ভাব্য নেটওয়ার্ক এবং স্থানীয় যোগাযোগের খোঁজে ডিজিটাল ও ফরেনসিক বিশ্লেষণ চালাচ্ছেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তদন্ত চলছে। ডিজিটাল ও ফরেনসিক রিপোর্টের ভিত্তিতে পরবর্তী পদক্ষেপ করা হবে। দেশের অভ্যন্তরে বিদেশি গুপ্তচরবৃত্তির সম্ভাব্য চক্রগুলিকে চিহ্নিত করে তা ভেঙে দিতে বদ্ধপরিকর এনআইএ। এই অভিযানই তার প্রমাণ।

Please follow and like us:

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

LinkedIn
Share