S Jaishankar: “দায়বদ্ধতা থেকেই সিএএ চালু করা হয়েছে”, আমেরিকাকে ‘বার্তা’ জয়শঙ্করের

jaishankar_epassport

মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “দেশভাগের সময় যাঁরা ক্ষতিগ্রস্ত এবং হতাশ হয়েছিলেন, তাঁদের প্রতিও আমাদের দায়বদ্ধতা রয়েছে। সেই দায়বদ্ধতা থেকেই সিএএ চালু করা হয়েছে।” সিএএ নিয়ে আমেরিকার প্রতিক্রিয়ার প্রত্যুত্তরে এ কথাই বললেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। গত সোমবার সন্ধ্যায় দেশজুড়ে লাগু হয়েছে সিএএ। তার পরেই বিষয়টি নিয়ে রাজনীতি করতে মাঠে নেমে পড়েছেন বিজেপি বিরোধী বিভিন্ন দলের নেতারা। প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে আমেরিকাও। জো বাইডেনের দেশ এ বিষয়ে প্রকাশ করেছে উদ্বেগও। বাইডেন প্রশাসনের সেই প্রতিক্রিয়ারই জবাব দিলেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী।

আমেরিকাকে বার্তা জয়শঙ্করের (S Jaishankar)

সিএএ লাগু হওয়ার পর ভারতের নীতি নিয়েই প্রশ্ন তুলেছিলেন এ দেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত এরিক গার্সেটি। তার প্রেক্ষিতেই নাম না করে আমেরিকাকে একহাত নিয়েছেন জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। তিনি বলেন, “আমারও নীতি রয়েছে। দেশভাগের সময় যেসব মানুষ ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছিলেন, সেই সব মানুষের জন্যই সিএএ।” সিএএতে ধর্মের ভিত্তিতে ভাগাভাগি করা হয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। তারও জবাব দিয়েছেন বিদেশমন্ত্রী। তিনি বলেন, “কেবল আমাদের দেশে নয়, অন্য দেশেও ধর্ম ও জাতির ভিত্তিতে নাগরিকত্ব দেওয়া হয়।”

সিএএ-র ক্ষমতা

জয়শঙ্কর বলেন, “আমি কারও নীতি বা গণতন্ত্রের আদর্শ নিয়ে কিছু বলছি না। কিন্তু আমার মনে হয়, আমাদের দেশের ইতিহাস সম্পর্কে অনেকের সঠিক ধারণা নেই। বিশ্বের অনেক জায়গা থেকে এমন অনেক মন্তব্য করা হচ্ছে, তা শুনে মনে হচ্ছে ভারতে কোনওদিন দেশভাগ হয়নি। দেশভাগের সময় এমন কোনও সমস্যা হয়নি, যার সমাধান সিএএ করতে পারবে না।” বিদেশমন্ত্রী বলেন, “তাদের (আমেরিকার) গণতন্ত্রে যে অসম্পূর্ণতা রয়েছে, তা নিয়ে আমি প্রশ্ন তুলছি না। তাদের নীতি কিংবা নীতির অভাব নিয়েও তো আমি প্রশ্ন করছি না। আমাদের দেশের ইতিহাস কতটা তারা বুঝেছে, তা নিয়েও প্রশ্ন করছি না।” তিনি বলেন, “আপনি যদি বিশ্বের বিভিন্ন অংশের মন্তব্য শোনেন (সিএএ নিয়ে), তাহলে মনে হবে ভারতে কখনও দেশভাগের মতো ঘটনা ঘটেনি।” এর পরেই বিদেশমন্ত্রী (S Jaishankar) বলেন, “দেশভাগের সময় এমন কোনও সমস্যা হয়নি, যার সমাধান সিএএ করতে পারবে না।”

আরও পড়ুুন: “১০০ দিনের রোডম্যাপ তৈরি করুন”, নির্বাচনের আগেই মন্ত্রীদের নির্দেশ প্রত্যয়ী প্রধানমন্ত্রীর

 

দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

 

Please follow and like us:

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

LinkedIn
Share