Suvendu Adhikari: “৪ তারিখ ভাবনীপুরের গণনা টেবিলে বসব”, প্রথম দফার ১৫২-তে ১২৫ হবে, প্রত্যয়ী শুভেন্দু

west-election-2026-news-following-the-first-phase-of-voting-suvendu adhikari reaction-it-will-be-125-out-of-152

মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচনী (West Bengal Elections 2026) সভায় বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) দক্ষিণ কলকাতার চেতলা অঞ্চলে একটি জনসভায় অংশগ্রহণ করেন। সেখান থেকে তিনি রাজ্যের শাসক দল এবং বিশেষ করে স্থানীয় নেতৃত্বের বিরুদ্ধে তীক্ষ্ণ সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, “৪ তারিখ ভবানীপুরের গণনা টেবিলে বসবো, তৃণমূল নেত্রী এবার ব্যাগ গুছিয়ে নিন। আমি আজ বদলা নিয়ে নিয়েছি।”

লোক ওখানে ছিল, বডি ওখানে, মন এখানে (Suvendu Adhikari)

শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) তাঁর ভাষণে নিয়োগ দুর্নীতি থেকে শুরু করে পুরসভার বিভিন্ন কাজে অস্বচ্ছতার অভিযোগ তোলেন। তিনি দাবি করেন, সাধারণ মানুষের করের টাকা সঠিক পথে ব্যয় না হয়ে বিশেষ কিছু মহলের স্বার্থসিদ্ধিতে ব্যবহার করা হচ্ছে। এরপর স্পষ্ট কথায় বলেন, “ভোট (West Bengal Elections 2026) হয়ে গেছে আজকে। আপনিও মাঠে নেমেছেন, মিছিল করেছেন। প্রতিটি ভিডিও আছে। কিছু লোক ওখানে ছিল, বডি ওখানে, মন এখানে। আর একটি লোক আছেন বন্দর থেকে, ভালো লোক সাপ্লাই দিয়েছেন৷ মাননীয়া জানেন, ১৫০ জন সিনিয়র সিটিজেন ভোট দিয়েছেন। ৭৭ এর কয়েকটা মুসলমান ছাড়া বাকি সবাই শুভেন্দুকে টিক লাগিয়েছে। আপনাকে আমি হারাব হারাব হারাব। কাল বিকেল থেকে ধরব৷ ২৯ এভিএম সিল করে বেরব। ৪ তারিখ নিজে গণনার টেবিলে বসব।”

১৫২-তে ১২৫ হবে

চেতলা এলাকাটি রাজ্যের একজন প্রভাবশালী মন্ত্রী ববি হাকিমের খাসতালুক হিসেবে পরিচিত। নাম না করে শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) সেই নেতৃত্বকে ইঙ্গিত করে বলেন, “পেশিশক্তি এবং প্রশাসনিক প্রভাব খাটিয়ে বিরোধী কণ্ঠস্বরকে রোধ করার চেষ্টা করা হচ্ছে। আমি যেন ২০২১ রিপিট করতে পারি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারাতে পারি৷ উনি কাঁদতে কাঁদতে বলছেন, ‘একটা ভোটেও জিতব’। রাজ্যের প্রচার বন্ধ করে এখন কেবলমাত্র ভবানীপুর ৷ কাউন্সিলর দু-হাতে টাকার ব্যাগ নিয়ে নেমেছে। আর একটা বড় ব্যবসায়ী অংশকে ধমকানি শুরু হয়েছে। বলছে, ৪ তারিখের পর দেখে নেব ৷ আরে তোমরা থাকলে তো দেখবে। মালদা থেকে আলিপুরদুয়ার সাফ সাফ সাফ। ১৫২-তে ১২৫ হবেই। ঝাড়গ্রামে ৪ এ ৩। মেদিনীপুর পশ্চিমে ১০, পূর্বে ১৬/১৬। মুর্শিদাবাদে ২ জায়গায় ৮। বীরভূমে ১ এর জায়গায় ৭। তোমরা কোথায় যাবে? এখন থেকে ব্যাগ গোছাও।” তবে তিনি স্পষ্ট করে দেন যে, ভারতীয় জনতা পার্টি এই ধরণের চাপের কাছে নতিস্বীকার করবে না।

সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা ও অধিকার

প্রথম দফায় নির্বাচনের পর শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, “হিন্দুরা এবং মহিলারা একজোট হয়ে ভোট দিচ্ছেন। আমি কখনও দেখিনি বেলা ১২টার মধ্যে ৬০ শতাংশ ভোট পড়ে যেতে। বেঙ্গালুরু, কর্নাটক থেকে মানুষ এসে ভোট (West Bengal Elections 2026) দিচ্ছেন।” শুভেন্দু অধিকারীর এই সভা মূলত আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে কর্মীদের চাঙ্গা করা এবং শাসক দলের দুর্নীতির খতিয়ান তুলে ধরার একটি কৌশল হিসেবেই দেখা হচ্ছে। তাঁর আক্রমণাত্মক মেজাজ এবং সরাসরি অভিযোগ ঘিরে বর্তমানে রাজনৈতিক মহলে যথেষ্ট চর্চা শুরু হয়েছে।

Please follow and like us:

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

LinkedIn
Share