Domicile Certificate: এসআইআর-এ ডোমিসাইল সার্টিফিকেটের প্রয়োজন নেই! জানাল কমিশন, কেন গ্রাহ্য নয়, ব্যাখ্যা শুভেন্দুর

domicile certificate is not required in sir said election commission suvendu adhikari expressed why

মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডোমিসাইল সার্টিফিকেট (Domicile Certificate) নিয়ে অবস্থান স্পষ্ট করল নির্বাচন কমিশন। তাদের দাবি, নির্দিষ্ট ভাবে এসআইআর-এর কাজে এই সার্টিফিকেট প্রয়োজন হবে, কখন‌ওই এমনটা বলা হয়নি। ওই সার্টিফিকেটের প্রয়োজনীয়তা অন্য জায়গায়। সাধারণত সেনাবাহিনীতে নিয়োগ এবং অন্য রাজ্যের বাসিন্দা, যাঁরা পশ্চিমবঙ্গে বসবাস করছেন, তাঁদের ক্ষেত্রে এই শংসাপত্রের প্রয়োজন হয়।

ডোমিসাইল সার্টিফিকেট কী, কোথায় লাগে

ডোমিসাইল সার্টিফিকেট (Domicile Certificate) এমন একটি প্রমাণপত্র, যা নিশ্চিত করে যে একজন একটি নির্দিষ্ট ভৌগোলিক অঞ্চলে (রাজ্য বা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল) স্থায়ীভাবে বসবাস করেন এবং সেই অঞ্চলের নাগরিক সুবিধা পাওয়ার যোগ্য। ডোমিসাইল সার্টিফিকেট নিয়ে কী নিয়ম রয়েছে রাজ্যের কাছে তা জানতে চেয়েছিল কমিশন। রাজ্য প্রশাসন জানিয়েছে, ১৯৯৯ সালের ২ নভেম্বর তারিখে জারি করা নির্দেশে বলা রয়েছে, প্রতিরক্ষা এবং আধা সামরিক বাহিনীর চাকরির জন্য ওই শংসাপত্র দেওয়া হয়, যা প্রদান করার ক্ষমতা একমাত্র জেলাশাসকদের রয়েছে। ঘটনাচক্রে কোনও ব্যাক্তির বাবা–মা সাধারণত ১৫ বছর বা তার বেশি সময় ধরে পশ্চিমবঙ্গে থাকলে, তখন তিনি এই সার্টিফিকেটের জন্য আবেদন করতে পারেন। এর পর আবেদনকারী বা তাঁর বাবা–মায়ের নামে পশ্চিমবঙ্গে বাড়ি বা জমি রয়েছে কি না, তা দেখা হয়। এ ছাড়া বা-বাবা ভিন্‌রাজ্যের হলে আবেদনকারীর জন্ম পশ্চিমবঙ্গে হয়েছে কিনা এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি রাজ্যের কোনও প্রাথমিক স্কুল থেকে পড়াশোনা করেছেন কিনা সে বিষয় খতিয়ে দেখা হয়। এর প্রামাণ্য নথি হিসাবে জন্ম সার্টিফিকেট বা স্কুলের পড়ার নথি জমা দিতে হবে। এর পর দেখা হয় আবেদনকারীর কোথায় বসবাস করেন। কোনও সরকারি কোয়ার্টার, না ভাড়াবাড়িতে, নাকি তাঁর নিজের বাড়ি রয়েছে। সেখানে তিনি কত দিন থাকছেন, এই সকল বিষয় খতিয়ে দেখার পর ‘পুলিশ ভেরিফেকশন’ হয়। সব ঠিকমতো হলে তবেই এই শংসাপত্র প্রদান করা হয়।

ডোমিসাইল সার্টিফিকেট কেন গ্রাহ্য নয়, জানালেন শুভেন্দু

ডোমিসাইল সার্টিফিকেট (Domicile Certificate) নিয়ে ইতিমধ্যেই মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠি দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অভিযোগ, রাজ্য সরকারের বিভিন্ন কর্তৃপক্ষের দ্বারা ইস্যু করা স্থায়ী বাসিন্দা শংসাপত্র বা ডোমিসাইল সার্টিফিকেট ভোটার পরিচয়ের প্রমাণ হিসেবে গ্রহণ না করার নির্দেশ অনানুষ্ঠানিকভাবে সমস্ত জেলা নির্বাচন আধিকারিকদের জানানো হয়েছে। তার পাল্টা চিঠি দিয়েছেন রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও। এবার এই ডোমিসাইল সার্টিফিকেট ইস্যুতেই সাংবাদিক বৈঠক করেন শুভেন্দু। শুভেন্দুর বক্তব্য, “মুখ্যমন্ত্রীর আইনের বই পড়া উচিত। ১০ বছর না হলে সেই সার্টিফিকেট গ্রাহ্য নয়।” তাঁর পাল্টা অভিযোগ, “আইপ্যাকের তৈরি করা ফর্মুলাতে অবৈধ ভোটার, মৃত ভোটার বাংলাদেশের অবৈধ মুসলিম অনুপ্রবেশকারীদের তালিকায় রাখার চেষ্টা চলছে।” তাঁর বিস্ফোরক অভিযোগ, “দক্ষিণ ২৪ পরগনার দুর্নীতিগ্রস্ত জেলাশাসক সুমিত গুপ্তকে কলকাতা পৌরসভার কমিশনার বানিয়ে বরো ভিত্তিক বার্থ সার্টিফিকেট দিতে চান, তাহলে তো অবৈধ হবেই। নির্বাচন কমিশনের সফটওয়্যার অত্যন্ত আপডেটেড।”

Please follow and like us:

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

LinkedIn
Share