মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভবিষ্যতের সমুদ্রযুদ্ধ (Future Undersea Warfare) ও সামুদ্রিক নিরাপত্তা জোরদার করতে প্রকৃতি থেকে অনুপ্রেরণা নেওয়ার পথে হাঁটছে ভারতীয় নৌসেনা (Indian Navy)। অক্টোপাসের জৈবিক বৈশিষ্ট্যকে (Octopus-Inspired Technology) আদর্শ হিসেবে ধরে উন্নত স্টেলথ আন্ডারওয়াটার ড্রোন (Stealth Underwater Drones) তৈরির লক্ষ্যে বিভিন্ন ডিফেন্স স্টার্টআপ (Defence Startups) ও প্রযুক্তি উদ্ভাবকদের জন্য নতুন গবেষণার উদ্যোগ নিচ্ছে নৌবাহিনী।
ভারতীয় নৌবাহিনীর নতুন উদ্যোগ
🔹 কী হচ্ছে?
অক্টোপাসের জৈবিক বৈশিষ্ট্য থেকে অনুপ্রেরণা নিয়ে আন্ডারওয়াটার ড্রোন তৈরির উদ্যোগ।
🔹 কেন অক্টোপাস?
স্টেলথ চলাচল • দ্রুত অভিযোজন • আত্মগোপন ক্ষমতা
🔹 লক্ষ্য কী?
আরও গোপন, দ্রুত ও কার্যকর আন্ডারওয়াটার ড্রোন
🔹 ব্যবহার কোথায়?
নজরদারি • রিকনেসান্স • আন্ডারসি ওয়ারফেয়ার
🔹 কারা যুক্ত?
ডিফেন্স স্টার্টআপ • গবেষণা প্রতিষ্ঠান • প্রযুক্তি উদ্ভাবকরা
🔹 বড় উদ্দেশ্য
ভবিষ্যতের সমুদ্রযুদ্ধে ভারতের সামুদ্রিক শক্তি বৃদ্ধি
অক্টোপাসের রণনীতিতে ভরসা
বাহিনী জানিয়েছে, অক্টোপাসের স্টেলথ চলাচল, দ্রুত অভিযোজন ক্ষমতা এবং অসাধারণ ফুর্তি ভবিষ্যতের স্বয়ংক্রিয় আন্ডারওয়াটার ড্রোন (Autonomous Underwater Vehicle) ও রোবোটিক সিস্টেম নকশায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। এই বৈশিষ্ট্যগুলিকে কাজে লাগিয়ে আরও কার্যকর ও স্টেলথ আন্ডারওয়াটার প্ল্যাটফর্ম (Stealth Underwater Drones) তৈরির লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।
এই উদ্যোগের আওতায় নজরদারি, রিকোনেস্যান্স (রেকি) এবং অন্যান্য নৌ-অভিযানের জন্য ব্যবহৃত আন্ডারওয়াটার ড্রোনগুলির কার্যক্ষমতা, গোপনীয়তা এবং নিয়ন্ত্রণযোগ্যতা বাড়ানোর ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে। সমুদ্রের জটিল পরিবেশে অক্টোপাস যেভাবে নিজের রূপ বদলে আত্মগোপন করে এবং দক্ষতার সঙ্গে চলাচল করে, সেই নীতিগুলিই প্রযুক্তিগত নকশায় প্রয়োগ করার কথা ভাবছে নৌবাহিনী।
অক্টোপাস-অনুপ্রাণিত নকশা
ভারতীয় নৌবাহিনীর মতে, এই জীববিজ্ঞান-অনুপ্রাণিত পদ্ধতির ফলে বর্তমানে ব্যবহৃত ব্যবস্থার তুলনায় আরও উন্নত এবং প্রযুক্তিগতভাবে আধুনিক আন্ডারওয়াটার ড্রোন (Stealth Underwater Drones) তৈরি করা সম্ভব হবে। ভবিষ্যতের আন্ডারসি ওয়ারফেয়ার (Future Undersea Warfare) এবং সামুদ্রিক নিরাপত্তা (Maritime Security) সংক্রান্ত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এই প্রযুক্তি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এই প্রকল্পে অংশ নিতে প্রতিরক্ষা শিল্পের সংস্থা, গবেষণা প্রতিষ্ঠান এবং স্টার্টআপগুলিকে তাদের প্রযুক্তিগত ধারণা ও প্রস্তাব জমা দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। নৌবাহিনীর লক্ষ্য, জৈবিক অনুপ্রেরণাকে বাস্তব প্রকৌশল ও রোবোটিক সমাধানে রূপান্তর করে ভারতের সামুদ্রিক শক্তিকে আরও সুদৃঢ় করা।

Leave a Reply