মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচন কমিশনের দেওয়া নতুন তথ্য অনুযায়ী, ৯২.৪৭ শতাংশ ভোট (Assembly Election 2026) পড়েছে পশ্চিমবঙ্গে। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার জানিয়েছেন, স্বাধীনতার পর থেকে পশ্চিমবঙ্গ এবং তামিলনাড়ুতে সর্বোচ্চ ভোট পড়েছে এবার। দুই রাজ্যের ভোটারদের কুর্নিশ জানিয়েছেন তিনি। কমিশন সূত্রে মেলা শেষ তথ্য অনুসারে পশ্চিমবঙ্গে প্রথম দফায় ভোট পড়েছে ৯২.৪৭ শতাংশ। তামিলনাড়ুতে ভোটর হার ৮৪.২৯ শতাংশ।
স্বাধীনতা পরবর্তী নির্বাচনে রেকর্ড
রাজ্যে যে ১৫২ টি আসনে প্রথম দফায় ভোট হয়েছে, সেগুলিতে ২০২১ সালে ভোট পড়েছিল ৮৩.২ শতাংশ। ২০২৪ সালে ৭৯.৮ শতাংশ। পশ্চিমবঙ্গে এর আগে পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি ভোট পড়েছিল ২০১১ সালে। ওই বিধানসভা নির্বাচনে ভোটদানের হার ছিল ৮৪.৩৩ শতাংশ। স্বাধীনতা পরবর্তী নির্বাচনের ইতিহাস বলছে এবারের মতো ভোট এর আগে কখনও দেখেনি পশ্চিমবঙ্গ। কারণ, এসআইআর পরবর্তী নির্বাচনে ভোট পড়ল ৯২ শতাংশ। যা গত বিধানসভা নির্বাচনের তুলনায় প্রায় ১০ শতাংশ বেশি। এবারের ৯০ শতাংশের বেশি ভোট পড়ার ছবিই বলে দেয়, পশ্চিমবঙ্গের মানুষের এবারের নির্বাচন নিয়ে উৎসাহের অন্ত ছিল না।
দেশের সব রাজ্যকে পিছনে ফেলল বাংলা
চলতি বছর বিধানসভা ভোটে অসমে ভোট পড়েছে ৮৫.৩৮ শতাংশ। পুদুচেরিতে ভোটদানের হার ছিল চলতি বিধানসভা নির্বাচনে ৮৯.৯৩ শতাংশ। সেই দুই রাজ্যকে পিছনে ফেলল পশ্চিমবঙ্গের প্রথম দফার ভোট। রাত ৯টার হিসেব অনুযায়ী প্রথম দফা নির্বাচনে ৯২ শতাংশ ভোটের মধ্যে মুর্শিদাবাদে পড়েছে ৯৩ শতাংশ, বর্ধমানে পড়েছে ৮৭ শতাংশ, পশ্চিম মেদিনীপুরে পড়েছে ৯২ শতাংশ ভোট, পূর্ব মেদিনীপুরে পড়েছে প্রায় ৯০ শতাংশ ভোট। পুরুলিয়ায় ভোট দেওয়ার শতাংশের হার ৮৯ শতাংশ। উত্তর দিনাজপুরে ভোট পড়েছে ৯১ শতাংশ। আলিপুরদুয়ারে ভোট পড়েছে ৯০ শতাংশ। বাঁকুড়ায় এই শতাংশ ৯১। বীরভূমে ভোট পড়েছে ৯৩ শতাংশ। কোচবিহারে ভোট পড়েছে ৯৫ শতাংশ। দক্ষিণ দিনাজপুরে এই হার ৯৫ শতাংশ। ৮৭ শতাংশ ভোট পড়েছে দার্জিলিংয়ে। জলপাইগুড়িতে ভোট পড়েছে ৯৩ শতাংশ। ঝাড়গ্রামে পড়েছে ৯২ শতাংশ ভোট। কালিম্পংয়ে পড়েছে ৮৩ শতাংশ ভোট ও মালদায় পড়েছে ৯১ শতাংশ ভোট। তবে চলতি বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্যে মোট ভোটদান কত হবে, সেই হার নজির গড়বে কি না, তা জানা যাবে দ্বিতীয় দফার পরেই। আগামী বুধবার দ্বিতীয় দফার ভোটে এর কাছাকাছি হার বজায় থাকলেই পশ্চিমবঙ্গ ভেঙে দিতে পারে ভোটদানের বহু নজির।

Leave a Reply